অনলাইন নিউজ: অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। চলতি বছর জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় পাঁচ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সীমান্তরক্ষী বাহিনী (U.S. Border Patrol)।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া অধিকাংশই দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। এছাড়া এদের মধ্যে এশিয়া ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশের নাগরিকও রয়েছেন।
অভিবাসনবিষয়ক দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো সীমান্তেই সবচেয়ে বেশি অভিযান চালানো হয়েছে। সেখানে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারেরও বেশি অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র বলেন,
“অবৈধ অভিবাসন আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। আমরা সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি মানব পাচার ও ভুয়া নথিপত্র ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, কঠোর নীতির ফলে অনেক আশ্রয়প্রার্থী বিপাকে পড়ছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে অভিবাসন প্রক্রিয়া আরও মানবিক করার আহ্বান জানিয়েছেন।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, বর্তমান প্রশাসন সীমান্তে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা চালু করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ড্রোন টহল, বায়োমেট্রিক স্ক্যানিং ও স্মার্ট ফেন্সিং সিস্টেম।
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসনের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। গত অর্থবছরেই দেশটিতে ২৪ লাখেরও বেশি অননুমোদিত অভিবাসী শনাক্ত করা হয়েছিল, যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ।