মোঃমামুন নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারী ডিমলা উপজেলা ছোটখাতা শিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণীকক্ষ থাকা স্বত্ত্বেও একই কক্ষে দুই শ্রেণীর পাঠদান চলছে।১৭ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৫জন শিক্ষকের মধ্যে ৪জন উপস্থিত, প্রধান শিক্ষক শারীরিক অসুস্থতায় ছুটিতে আছেন বলে জানান দ্বায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান আসাদ।বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী ও সন্তোষজনক উপস্থিত নেই ।
১৯৮৯সালে বিদ্যালয়টি স্থাপিত হলেও শিক্ষকদের নিজ খেয়াল খুশিমত চলার কারণে নেই কোন অগ্রগতি।ভবনটি ব্যবহারযোগ্য হলেও ঝুলছে তালা,। এদিকে শিক্ষকের অবহেলা ও অযত্নের কারণে শহীদ মিনার ও বারান্দায় ময়লা আবর্জনার স্তুপে পরিপূর্ণ। এই সুন্দর ভবনটি ফেলে রেখে তৃতীয় ও চতুর্থ দুই শ্রেণির পাঠদান এক কক্ষে হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্থানীয় অভিভাবকগণ।
সচেতন মহল জানান,এভাবে পাঠদান করা হলে শিক্ষার্থীরা হয়ে পড়বে অমনোযোগী ও হারিয়ে ফেলবে তাদের মেধাশক্তি। এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোতালেব হোসেন বলেন স্কুলে বাচ্চা কম, এবং দুই শ্রেণীর ক্লাস এক কক্ষে নেওয়া হচ্ছে। বিষয় টি উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে জানানে হয়েছে।।ভবনের বারান্দায় ও মাঠে ময়লা আবর্জনার কথা এলাকার লোক শুনেনা।
এবিষয়ে ডিমলা উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আলম বলেন, দুটি শ্রেণির ক্লাশ এক কক্ষে নেওয়ার কোন সুযোগ নাই। কোন ভবন ব্যবহার উপযোগী হলে সংরক্ষণ করতে হবে আবর্জনা রাখা কোন নিয়ম নীতির মধ্যে পরেনা।