1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. abedali4249@gmail.com : dailydeshkantha :
  3. zaharuliofficial@gmail.com : Zaharul Islam : Zaharul Islam
শিশুদের অনলাইনে ক্লাস নেওয়া হলে মেধার অপমৃত্যু ঘটবে : জামায়াত আমির - dailydeshkantha
২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| বিকাল ৫:৪০|

শিশুদের অনলাইনে ক্লাস নেওয়া হলে মেধার অপমৃত্যু ঘটবে : জামায়াত আমির

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, এপ্রিল ৪, ২০২৬,
  • 75 Time View

অনলাইন নিউজ: শিশুদের অনলাইনে ক্লাস নেওয়া হলে মেধার অপমৃত্যু ঘটবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা আয়োজিত দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের নাফিস কনভেনশন সেন্টারে এক সমাবেশে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এমনিতেই শিশুরা ডিভাইসে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এখন যদি স্কুল থেকে তাদের বিরত রেখে হাতে ডিভাইস তুলে দেওয়া হয়, তাহলে তাদের মেধার মৃত্যু ঘটবে। শুধু কি তাই, একটি শিশু যখন স্কুলে যায়, তখন সে সঙ্গ পায়। সেই শিশুটাকে যদি ঘরে বসে ক্লাস করার কথা বলা হয়- শিশুরা তো চপল ও চঞ্চল। ক্লাসে যখন শিশুরা থাকে, তখন শিক্ষক তাদের দেখে রাখেন। কিন্তু ঘরে সে যখন স্বাধীনভাবে থাকবে, তখন তাকে কে দেখবে? সে ডিভাইস টেবিলে রেখে যদি খেলতে চলে যায়, তবে তা দেখার কেউ থাকবে না।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা যখন সংসদে জিজ্ঞাসা করছি, সমস্যাটা বিশ্বব্যাপী চলছে, তা বাংলাদেশের সৃষ্টি নয়। এই সমস্যা উত্তরণে আমরাও সহযোগিতা করতে চাই। কিন্তু সরকার বলছে কোনো সমস্যাই নেই। সংসদের ভেতরে এমনভাবে বিবৃতি দেওয়া হয়, মনে হয় যেন সমস্যা তো নেই-ই, বরং উদ্বৃত্ত তেলের ওপর ভাসছে বাংলাদেশ, এটা লজ্জার!

তিনি বলেন, আমরা জিজ্ঞাসা করেছি, তাই যদি হয়, কেন তাহলে মোটরসাইকেল ও গাড়িচালকরা পেট্রোল পাম্পের সামনে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন? কিলোমিটারের পর কিলোমিটার কেন তাদের লাইনে থাকতে হয়? কেন তাদের রোদে পুড়তে ও বৃষ্টিতে ভিজতে হয়? বাইকচালকরা বলছেন, আগে সাত-আট ঘণ্টা চালাতে পারতেন, তেলের সংকটে এখন তিন ঘণ্টাও বাইক চালানোর সময় পান না। জীবনের সকল ক্ষেত্রে দুঃসহ যাতনা নেমে আসছে। আর সরকার বলছে, তেলের কোনো অভাব নেই। এটা অবশ্য ঠিক, তেলের অভাব কাদের জন্য নেই, তা সরকার বলেনি।

বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, কেউ কেউ ড্রাম ভর্তি করে নিজেদের ঘরে, বাঁশঝাড়ে ও গোয়ালঘরসহ বিভিন্ন জায়গায় তেল মজুত করে রেখেছে। পাম্পে তেল পাওয়া যায় না, লেখা থাকে তেল নেই, পাম্প বন্ধ; কিন্তু সেখানে (কালোবাজারে) গেলে তেল পাওয়া যায়। ১২০ টাকা দামের তেল সেখানে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এইভাবে জ্বালানির ওপর জীবনযাত্রা নির্ভরশীল। এই জ্বালানিতে শুধু বাতি-ফ্যান ঘোরে না, এতে সমাজের চাকাও ঘোরে; মিল-ফ্যাক্টরি ও ট্রান্সপোর্ট চলে। এটা লজ্জার ব্যাপার। সরকার কেন সবাইকে নিয়ে খোলা মনে বসছে না? বাস্তব অবস্থা কেন তুলে ধরছে না? আমরা সবাই এই সংকট নিরসনের অংশীদার হতে চাই। আমরা তো সংকট তৈরি করতে চাই না। যে লুকোচুরি ও অস্পষ্টতা রয়েছে, তা থেকে বের হয়ে আসার জন্য সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                                    Themes Create by BDITWork