নেপালে সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আন্দোলন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানী কাঠমান্ডুতে বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনে ঢুকে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারি ও সেনা মোতায়েন করে সরকার। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতজন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হাজারো তরুণ নিরাপত্তা বাহিনীর বাধা অগ্রাহ্য করে পার্লামেন্ট ভবনে প্রবেশ করে। আন্দোলনকারীরা এ প্রতিবাদকে ‘জেন-জি রেভলিউশন’ নামে অভিহিত করেছেন। তাদের অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করে জনগণের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে।
সম্প্রতি নেপাল সরকার ২৬টি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ সবকটি অ্যাপ বন্ধ করে দিয়েছে। চালু রাখা হয়েছে কেবল টিকটক। সরকারের ব্যাখ্যা, নিবন্ধিত না হওয়ায় এবং ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ঘৃণা, গুজব ও সাইবার অপরাধ ছড়ানোর কারণে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
তবে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি, এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। তারা বলছে, জনসমর্থন হারানোর ভয়ে সরকার বিরোধী কণ্ঠরোধ করতেই এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সংশ্লিষ্ট বিলকে ঘিরে এরই মধ্যে নেপালে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।