মাহফুজ রাজা,স্টাফ রিপোর্টার: দীর্ঘ নয় বছর পর কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে মো. শরীফুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদে মাজহারুল ইসলাম পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভোট গণনা শেষে জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল ফলাফল ঘোষণা করেন।
এ সম্মেলনকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায় ১৩টি থানার নেতৃবৃন্দের মাঝে।সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে ছিলো বর্ণাঢ্য প্রস্তুতি। জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে লাখ লাখ নেতা কর্মীদের আগমন ঘটে।জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি অংশ গ্রহণ করেন,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বিএনপির চেয়ারপারসনের সম্মানিত উপদেষ্টা বীরমুক্তিযুদ্ধা আব্দুস সালাম প্রমূখ।
সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে ও বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুস সালামকে স্বাগত জানাতে প্রায় ৩০টি মাইক্রোবাস,মোটরসাইকেল, সিএনজি,অটোরিকশা ছাড়াও অন্যান্য পরিবহন যোগে হোসেনপুর থেকে ১৪ কিলোমিটার রাস্তা কিশোরগঞ্জ ছুটে যান তার অনুসারীরা পরে বিশাল এক মিছিল নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে প্রবেশ করেন সম্মেলন স্থলে।
হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, কারা নির্যাতিত নেতা আল-মামুন,উপজেলা তাঁতীদলের সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম এবং উপজেলা তাঁতীদলের যুগ্ম আহবায়ক লুৎফর রহমান’র আয়োজনে,
এতে অংশ নেন ঢাকা দক্ষিণ জাসাস এর ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শওকত আজিজ,পৌর যুবদলের সভাপতি শরীফ মিয়া, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ, উপজেলা ওলামা দলের আহবায়ক আব্দুর রহমান, কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহমেদসহ হোসেনপুর উপজেলা বিএনপি ও তার বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য,সভাপতি পদে শরীফুল আলম ১৫২২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুহুল হোসাইন পান ১৯৭ ভোট, বাতিল হয় ১২০ ভোট।
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে মাজহারুল ইসলাম পান ১১৫৯ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল পান ৬১১ ভোট। অপর দুই প্রার্থীর মধ্যে সাজ্জাদুল হক পান ৭টি এবং শফিকুল আলম রাজন পান ৩০ ভোট। এ পদে বাতিল হয় ৩৩টি ভোট।