হামাসসহ বিভিন্ন ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর নেতারা জানিয়েছেন, এ প্রস্তাব তাদের হাতে পৌঁছেছে। তবে বিষয়টি জটিল হওয়ায় এবং একাধিক দফা আলোচনা প্রয়োজন হওয়ায় তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়া সম্ভব নয়। তারা বলছেন, ট্রাম্পের প্রস্তাবে কিছু ইতিবাচক দিক থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিশেষ করে গাজার পুনর্গঠন, শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তন ও ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের বিষয়টি তাদের মূল উদ্বেগ।
এক বিবৃতিতে হামাস জানায়, “আমরা জনগণের স্বার্থে যেকোনো উদ্যোগ বিবেচনা করতে প্রস্তুত। তবে এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রস্তাব আমাদের জাতীয় অধিকারের ক্ষতির বিনিময়ে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, তারা প্রস্তাবটি নিয়ে আঞ্চলিক মিত্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে, গোষ্ঠীগুলো ইতিবাচকভাবে সাড়া দেবে। ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, “আমরা চাই ফিলিস্তিনি নেতারা দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছান, যাতে গাজায় রক্তপাত বন্ধ হয় এবং আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।”
পর্যবেক্ষকদের মতে, ফিলিস্তিনি পক্ষ ঐক্যবদ্ধ অবস্থান না নিলে প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলমান সহিংসতা থেকে মুক্তির আশায় সাধারণ গাজার মানুষ এ উদ্যোগকে সতর্ক আশাবাদ নিয়ে দেখছে।