1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. abedali4249@gmail.com : dailydeshkantha :
  3. zaharuliofficial@gmail.com : Zaharul Islam : Zaharul Islam
নীলফামারীর মেয়ে শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী দগ্ধ শরীর নিয়ে ২০ শিশুকে বাঁচিয়ে তিনিও না ফেরার দেশে - dailydeshkantha
৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| সকাল ৯:৪৫|
শিরোনামঃ
নওগাঁ-নাটোর মহাসড়কে এসপি তারিকুল ইসলামের বিশেষ টহল, আত্রাই থানা পরিদর্শন ডিমলায় জামায়াতে ইসলামীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মোজতবা খামেনির সক্রিয়তা বাড়ছে : রুবিও দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে : অর্থমন্ত্রী ‎পুলিশের ৯ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, আসতে পারে শ্রমবাজার চালুর ঘোষণা আদালতে এসে ন্যায় বিচার চাইলেন রামিসার বাবা প্রজন্ম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আত্রাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ঈদ উপলক্ষে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন ও অর্থ বিতরণ আঞ্চলিক সম্মেলনে যোগ দিতে মালয়েশিয়া গেলেন জামায়াত সেক্রেটারি

নীলফামারীর মেয়ে শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী দগ্ধ শরীর নিয়ে ২০ শিশুকে বাঁচিয়ে তিনিও না ফেরার দেশে

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, জুলাই ২৭, ২০২৫,
  • 186 Time View

আশীষ বিশ্বাসনী লফামারী:

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় যখন শোকের মাতম, তখন এক শিক্ষিকার আত্মত্যাগের গল্প উঠে এসেছে, যা সবাইকে স্তম্ভিত করেছে। ওই ভয়াবহ মুহূর্তে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থীকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে নিজে প্রাণ হারিয়েছেন শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কর্মরত নীলফামারী জেলার জলঢাকা পৌর শহরে র বগুলা গাড়ি চৌধুরী পাড়া মহিতুর চৌধুরীর মেয়ে মাহেরিন চধুরী।

এদিন দুপুরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাইমারি সেকশনের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার সময় ওই ভবনে ক্লাস চলছিল, যেখানে বহু শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর যখন আগুন ও ধোঁয়ায় চারদিক ছেয়ে যায়, তখন শিক্ষক মাহেরীন নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেন। তিনি দ্রুততার সঙ্গে আতঙ্কিত শিশুদের বের করে আনার চেষ্টা করেন।
তার প্রচেষ্টায় অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী অক্ষত বা সামান্য আহত অবস্থায় ভবন থেকে বের হতে সক্ষম হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই বীরত্বপূর্ণ কাজ করতে গিয়েই তিনি নিজে আটকা পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারান।

উদ্ধার অভিযানে থাকা এক সদস্যও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এক অভিভাবক বলেন, ম্যাডাম অনেক ভালো ছিল। সেনাবাহিনী আমাদের বলেছে— শিক্ষিকার জন্য অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী বেঁচে গেছেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত এবং ১৭১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৫০ জনের বেশি দগ্ধ অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আছেন। সরকার এই ঘটনায় মঙ্গলবার (২২ জুলাই) একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                                    Themes Create by BDITWork