বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম সামান্য কমেছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে তেলের দাম বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে করে মূল্যবান ধাতুর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কিছুটা কমেছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮০৯ দশমিক ৭১ ডলারে দাঁড়ায়। আর জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ১ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৮২৯ দশমিক ৪০ ডলারে নেমে আসে।
টেস্টিলাইভ-এর গ্লোবাল ম্যাক্রো বিভাগের প্রধান ইলিয়া স্পিভাক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছিল স্বর্ণের বাজার। কিন্তু সেই যুদ্ধবিরতিতে আস্থা হ্রাস পাওয়ায় আজ স্বর্ণের দাম কমেছে।’
চাঁদপুরে শিক্ষকের বাসা থেকে ১০ ভরি স্বর্ণসহ মালামাল লুট
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা শুরুর পর থেকে স্বর্ণের দাম প্রায় ৮ শতাংশ কমেছে। কারণ জ্বালানির উচ্চমূল্য মূল্যস্ফীতি বাড়াতে পারে এবং বিশ্বজুড়ে সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যদিও স্বর্ণকে সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়, তবে সুদের হার বেশি থাকলে সুদবিহীন এই সম্পদের চাহিদা কমে যায়।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৮০ দশমিক ৩৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া প্লাটিনাম ২ হাজার ১০৩ দশমিক ৩৮ ডলারে স্থিতিশীল ছিল। আর প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৫৬ দশমিক ৪৫ ডলারে নেমেছে।
এদিকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।