অনলাইন নিউজ: এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে এখনো জয় অধরা বাংলাদেশের। হংকংয়ের মাঠে পূর্ণ তিন পয়েন্টের লক্ষ্যে নামলেও শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে জামাল-সাদদের। প্রতিপক্ষের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ম্যাচে গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল। যদিও কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার কণ্ঠে ছিল আত্মতুষ্টির সুর।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কোচ বলেন,
“স্বাভাবিকভাবে আমাদের মনে হচ্ছে আমরা আরও বেশি পয়েন্ট পাওয়ার যোগ্য ছিলাম, কিন্তু এই উইন্ডো শেষ করেছি এক পয়েন্ট নিয়ে। তবে পয়েন্টের হিসাবের বাইরে গিয়ে বললে, ম্যাচটি ছিল খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।”
ম্যাচের প্রথমার্ধে তারিক কাজীর একটি ফাউল দলকে বিপাকে ফেলেছিল। সেই ফাউল থেকে হংকং পেনাল্টি পেলেও সৌভাগ্যক্রমে তা কাজে লাগাতে পারেনি। তারিককে সরাসরি দোষারোপ না করে ক্যাবরেরা বলেন,
“তারিকের সঙ্গে কথা বলেছি, সে নিশ্চিত, বলটা আগে ছুঁয়েছিল। ঘটনাটা ৫০-৫০ হতে পারে। কিন্তু ওর বিশ্বাস, সে বলটাই আগে টাচ করেছিল। আমি কিছু বলতে পারছি না, কারণ ভিডিও দেখিনি।”
বাংলাদেশ এখনো পর্যন্ত বাছাইপর্বে কোনো ম্যাচেই পূর্ণ তিন পয়েন্ট পায়নি। তবুও কোচের চোখে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সে রয়েছে উন্নতির ধারা।
“দলটা ক্রমাগত উন্নতি করছে, এবং এমন সময়েও আরও ভালো ফুটবল খেলছে যখন মনে হয়েছিল আগের ম্যাচের পারফরম্যান্স ছাড়িয়ে যাওয়া কঠিন হবে। কিন্তু এই ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে আমরা কিছু মুহূর্তে সত্যিই খুব মানসম্পন্ন ফুটবল খেলেছি।”
ম্যাচ শেষে কথা বলেন দলের অন্যতম প্রধান ভরসা হামজা দেওয়ান চৌধুরি। ইংল্যান্ডে খেলা এই মিডফিল্ডার হংকংয়ের মাঠের পরিবেশে মুগ্ধ।
“ইংল্যান্ডে খেলেছি, কিন্তু এখানকার এই স্টেডিয়ামটিও সম্ভবত সেরাদের মধ্যে একটি। পরিবেশটা অসাধারণ, গোলপোস্টের পেছনে থাকা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস দেখলেই বোঝা যায়, তারা কতটা দুর্দান্ত। আমরা হারছি এটা দুঃখজনক, তবে প্রতি ম্যাচে আমরা উন্নতি করছি।”
বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন আশার আলো হয়ে উঠছেন হামজা ও তার সতীর্থরা। এক পয়েন্টে সন্তুষ্ট থাকলেও ভবিষ্যতের জন্য এই উন্নতির ধারাকেই ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন কোচ ক্যাবরেরা।