অর্থনিীতি ডেক্স: মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে এবং নারী শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিনের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এমএমই) বিভাগে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করা হয়েছে।
মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) ফেমিনিন হাইজিন ব্র্যান্ড ফ্রেশ অনন্যা এবং বুয়েটের এমএমই বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার বুয়েটের এমএমই বিভাগের পুরাতন অ্যাকাডেমিক ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা, বুয়েটের কেমিক্যাল অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ড. মুসাররাত সুলতানা সুমি, এমএমই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. মুকতাদির বিল্লাহ এবং এমজিআইয়ের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মো. মহিউদ্দিন ভেন্ডিং মেশিনটির উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ব্যারিস্টার নাসিমা মোস্তফা বলেন, মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন শুধু ব্যক্তিগত অসুবিধার বিষয় নয়; এটি স্বাস্থ্য, মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও সমান সুযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি বলেন, একজন নারী শিক্ষার্থী বা কর্মী যেন প্রয়োজনের সময় সহজে ও মর্যাদাপূর্ণভাবে স্যানিটারি পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। বুয়েটের এমএমই বিভাগের সঙ্গে যৌথভাবে ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন সেই লক্ষ্যেই একটি ছোট কিন্তু অর্থবহ পদক্ষেপ।
নাসিমা মোস্তফা আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য আরও সহায়ক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে দেশের আরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্যাম্পাসে এ ধরনের উদ্যোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন সচেতনতা ও স্যানিটারি পণ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে ফ্রেশ অনন্যা কাজ করবে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ফর হার: টুগেদার টুওয়ার্ডস আ বেটার সোসাইটি’ শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মাসুদ, ড. তাজকিয়াতুল ইসলাম মোহুয়া, এমএমই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাকিয়ান ফখরুল, এমএমই বিভাগের প্রভাষক নাবিলা মাহজাবীন রিমা এবং এমএমই বিভাগের শিক্ষার্থী তাবাসসুম মেহজাবীন পুষ্পিতা অংশ নেন।
আলোচনায় ক্লিনিক্যাল স্বাস্থ্য পরামর্শ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা পর্যন্ত মেনস্ট্রুয়াল হাইজিনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।