নিজস্ব প্রতিবেদক: পর্যটন নগরী কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডীর চাঞ্চল্যকর হাফেজ আমজাদ হত্যার মূলহোতা মামলার ১নং আসামী রাফিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
বুধবার (৮অক্টোবর) বেলা ৩ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চৌফলদন্ডি নতুন মহালের আলোচিত হাফেজ আমজাদ হত্যার মুলহোতা এজাহারনামীয় মামলার ১ নং আসামী রায়েফ আনান রাফি (২৪) কে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওস) ইলিয়াছ খাঁন।
আটককৃত খুনি রাফি সদর উপজেলার চৌফলদন্ডীর ৮নং ওয়ার্ড় নতুন মহালের বাসিন্দা ছৈয়দ নুর(ওরফে সুদি ছৈয়দ নুর) ও শাহানা আক্তারের ছেলে।
এর আগে ৪ অক্টোবর এই নৃশংস্ব হত্যা মামলার মুলহোতা সন্ত্রাসী রাফির পিতা ও মামলার ৩ নং আসামী সৈয়দ নুর(৫৫) (ওরফে সুদি ছৈয়দ নুর) ও ঘটনারদিন আরেক আসামি এহছান মেম্বারকেও কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মূলত এ ছৈয়দ নূর ও তার ছেলে সন্ত্রাসী রাফির বাহিনী বর্ণিত এলাকার যাবতীয় অপরাধের নিয়ন্ত্রক।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইলিয়াছ খাঁন তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার মুলহোতাসহ মোট ৩ জন আসামীকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ইতিপূর্বে ঘটনার দিন রাতে উত্তেজিত জনতা মামলার ১৪নং আসামী স্থানীয় ইউপি সদস্য এহছানুল হক(৫০)কেও আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছিল। নিহত হাফেজ আমজাদের খুনিরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় বিচার ও নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কাবোধ করছেন৷ হাফেজ আমাজাদের বড় ভাই বেলাল উদ্দিন। মুল হোতাসহ তিনজন আসামিকে দ্রুতসময়ে গ্রেফতার করায় তিনি প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি অন্যান্য আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার পুর্বক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
উল্লেখ্য, গত সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে কক্সবাজার সদরের চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড নতুন মহাল বাজার এলাকায় উক্ত গ্রেফতারকৃত ছৈয়দ নুরের ছেলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী রায়েফ আনান রাফি (২৪), তার বাহিনীর আবছার কামাল (৩৬) ও মো: মোফাচ্ছল (৪৫) এর নেতৃত্বে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা একই এলাকার নুরুল কবিরের ছেলে প্রবাস ফেরত স্থানীয় জামায়াত ইসলামীর যুব বিভাগের বাজার ইউনিট সেক্রেটারি হাফেজ আমজাদ হোসাইনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করেন ।