1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. abedali4249@gmail.com : dailydeshkantha :
  3. zaharuliofficial@gmail.com : Zaharul Islam : Zaharul Islam
নাসুমের বাবার ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয় - dailydeshkantha
২৭শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১২ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বৃহস্পতিবার| রাত ১০:২৩|
শিরোনামঃ

নাসুমের বাবার ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয়

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৫,
  • 137 Time View
নাসুমের বাবার ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয়’
নাসুমের বাবার ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয়’

ছেলে দেশের তারকা ক্রিকেটার। আছেন জাতীয় দলে, যাচ্ছেন এশিয়া কাপেও। আর বাবার নুন আনতে পান্তা ফুরোয়, মাত্র আট হাজার টাকা বেতনে চালান সংসার! এ যেন ‘বাতির নিচে অন্ধকার’।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, গল্পটা জাতীয় দলের স্পিনার নাসুম আহমেদ ও তার বাবা আক্কাস আলীর। সম্প্রতি এক গণমাধ্যমের খবরে বেরিয়ে এসেছে এমন তথ্য। যদিও নাসুমের দাবি ভিন্ন।

জানা গেছে, ছেলের স্বপ্ন পূরণ করতে বাবা আক্কাস আলী রিকশা চালানো থেকে শুরু করে সবজি বিক্রি এবং রঙমিস্ত্রির কাজও করেছেন, সেই বাবার ঠাঁই হয়নি নাসুম আহমেদের আলো ঝলমলে জীবনে।

বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় আলাদা থাকেন নাসুম। রাজধানীর সেই বাড়িতে স্থান হয়নি বাবার। এমনকি জানা গেছে বাবার ঠিকমত খোঁজও নেন না জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার। সম্পর্ক অনেকটাই ছিন্ন।

ছেলের সাথে যোগাযোগ না থাকায় জীবিকার তাগিদেই তিনি সিলেট নগরীর হাউজিং এস্টেটে নিরাপত্তাকর্মীর কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানা গেছে। মাস শেষে বেতন পান মাত্র ৮ হাজার টাকা।

নাসুম ও তার বাবার গল্প মনে করিয়ে দেয় নচিকেতার বৃদ্ধাশ্রম গানের বিখ্যাত সেই লাইনগুলো ‘ছেলে আমার মস্ত মানুষ, মস্ত অফিসার। মস্ত ফ্ল্যাটে যায় না দেখা এপার ওপার। নানান রকম জিনিস আর আসবাব দামী দামী, সবচেয়ে কমদামী ছিলাম একমাত্র আমি।’

অবশ্য এতে আক্কাস আলীর কোনো আক্ষেপ নেই। তার কোনো দাবিও নেই। তিনি বলেন, ‘আমি একজন বাবা হিসেবে শুধু চাই নাসুম বড় কিছু হোক। নিজের জন্য আলাদা কিছু চাইনি, চাই না।’

স্থানীয়দের ভাষ্য, নাসুমের বিয়ের পর থেকে দূরত্ব তৈরি হয়। যে বাবা রিকশা চালানো, সবজি বিক্রি আর রঙের কাজ করে ছেলেকে পড়াশোনা করিয়ে জাতীয় দলে পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি আজ ছেলে থেকে আলাদা।

নাসুম অবশ্য দাবি করেছেন, তিনি তার দায়িত্ব পালন করছেন। বলেন, ‘আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি। উনি আমাদের সাথে থাকেন না। তাই আলাদাভাবে থাকেন। মাসে মাসে আমি টাকার একটা অ্যামাউন্ট দেই। তবে উনি কী করবেন, সেটা ওনার সিদ্ধান্ত।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                                    Themes Create by BDITWork