মোঃ ফায়েজুল শরীফ মাদারীপুর:
মাদারীপুরে বিএনপি’র প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য নবায়ন কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন বিএনপি’র কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও ডাকসুর সাবেক ভিপি বর্ষীয়ান নেতা খায়রুল কবীর খোকন। বুধবার (১৩ ই আগষ্ট) বিকালে শহরের পৌর কমিউনিটি সেন্টারে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন ও নেতা-কর্মী, সমর্থকদের উদ্দেশ্য বক্তব্য রাখেন খায়রুল কবীর খোকন, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বর্ষীয়ান নেতা খন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক, সাবেক সংসদ সদস্য ইডেন কলেজের সাবেক ভিপি ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-গণ শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার, মাদারীপুর জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কাজী হুমায়ুন কবীর।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মাদারীপুর জেলা কমিটির আহবায়ক (বর্তমানে বিলুপ্ত কমিটি) এ্যাডভোকেট জাফর আলী মিয়া, যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট জামিনুর হোসেন মিঠু, যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান মুরাদ। এসময় নেতৃবন্দের উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট রোকন উদ্দিন মিয়া, মাদারীপুর জেলা আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক (জিপি) ও মাদারীপুর সদর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট গুলজার আহম্মেদ চিশতি, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট শরীফ মোঃ সাইফুল কবীর (পিপি), জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক (সাবেক) মোফাজ্জল হোসেন খান মফা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও সেক্রেটারী যথাক্রমে- শাহাদাত হোসেন হাওলাদার ও এ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ, জেলা যুবদলের আহবায়ক ফারুক বেপারী ও সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান ফুকু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাকির হোসেন ও সেক্রেটারী কামরুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে জেলা কৃষকদল, শ্রমিকদল ও তাতী দলের নেতৃবৃন্দ ও কর্মী সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেতা এ্যাডভোকেট শরমিন ইসলাম ডেইজি, এ্যাডভোকেট উর্মি ইসলাম, গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জুলাই-আগষ্ট/’২৪ এর ছাত্র-জনতা ও সকল দলের সম্মিলিত গণ-অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকার পতিত হয়ে দেশ থেকে টপ-টু-বটম মন্ত্রী-এমপি, নেতা-নেত্রী সহ পালিয়ে গেছে। উক্ত পালিয়ে যাওয়া দলের গুম,খুনী, লুটপাট-পাচারকারী, স্বৈরাচারী ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ ও তাদের দোসরদের কেউ যেনো ছলে-বলে-কৌশলে বিএনপি’র মধ্যে স্থান না পায়- সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তারা যেনো বানচাল করতে না পারে সেজন্য জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে হবে। এদেশের কষ্টার্জিত রক্তস্নাত স্বাধীনতা ও গনতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করা জনগনবিরোধী আওয়ামীলীগ নামক একটি সুবিধাভোগী গোষ্ঠীকে এদেশের মানুষ আর ঠাঁই দেবে না। তারা ভূয়া ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে বিএনপি’র উপর ১৫/১৬ বছর গুম,খুন, হত্যা, জেল-জুলুম, নির্যাতন, হামলা-মামলা দিয়ে মানবাধিকার, বাক স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অধিকার হরণ করেছিলো। হরণ করেছিলো এদেশের মানুষের ভোটের অধিকার। আমাদেরকে তাই বিএনপি’র চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী দলের কর্মকান্ডকে জনগনমুখী করে গড়ে তুলতে হবে, যা’তে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগন বিএনপিকে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করে তাদের সেবা করার সুযোগ দেয়। তারেক রহমানের ঘোষিত “তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষে হোক”- এ স্লোগানকে তরুণদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে, কেননা তরুণরাই হলো আগামীর ভবিষ্যত। তাই সকল ভোটারদের পাশাপাশি তরুণদেরও সম্পৃক্ত করতে হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। আগামীর জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের পায়তারা করছে একটি গোষ্ঠী। সে স্বপ্ন পূরণ হবে না, কেননা জনগন এখন ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়।