বাবুল রহমান রবিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ৫ নম্বর কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খন্দকার গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে কচুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময়, খোঁজখবর নেওয়া এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন।
গণসংযোগকালে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। লিয়াকত আলী খন্দকার তাঁদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এ সময় লিয়াকত আলী খন্দকার বলেন, “আমি আজ কচুয়া ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে দেখা করতে এবং নির্বাচনী সালাম জানাতে এসেছি। আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন পেলে ইনশাআল্লাহ আবারও এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “কচুয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য এলাকায় পরিণত করাই আমার লক্ষ্য। রাস্তাঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব খাতে উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই। আপনাদের সহযোগিতাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”
স্থানীয় বাসিন্দা রাজ্জাক মিয়া বলেন, “লিয়াকত চেয়ারম্যান শুধু নির্বাচনের সময় নয়, যেকোনো প্রয়োজনে ডাকলে দ্রুত আমাদের পাশে ছুটে আসেন। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে অত্যন্ত বিনয়ী আচরণ করেন। তিনি আবার চেয়ারম্যান হলে আমাদের এলাকার মানুষের জন্য কাজ করবেন বলে আমরা আশা করি।”
স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি তিনি প্রবীণদের খোঁজখবর নেন এবং তরুণদের সঙ্গে এলাকার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন।
গণসংযোগে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সমর্থক ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে প্রার্থীর সরাসরি মতবিনিময় ও নির্বাচনী আলোচনা দেখা যায়।
লিয়াকত আলী খন্দকার বলেন, “আমি মানুষের সুখ-দুঃখের সাথি হয়ে কাজ করতে চাই। ইউনিয়ন পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত, জনবান্ধব ও সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করাই আমার লক্ষ্য। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হতে পারলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় নিজেকে উৎসর্গ করব।”
তিনি আরও বলেন, “চেয়ারম্যানের চেয়ার ক্ষমতা ভোগের জায়গা নয়, মানুষের সেবা করার দায়িত্ব। আমি জনগণের শাসক নয়, সেবক হিসেবে এই চেয়ারে থাকতে চাই।”