বাবুল রহমান রবিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ৩ নম্বর উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. টিটু মিয়াকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা বাড়ছে। সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি আলোচনায় উঠে এসেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়দের একটি অংশ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উদাখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সড়ক, কালভার্ট, জলাবদ্ধতা নিরসনসহ জনসাধারণের নানা সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন টিটু মিয়া। পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন সামাজিক-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাঁর অবদান নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয়দের একাংশের ভাষ্য, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং সুখে-দুঃখে তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা তাঁর প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়িয়েছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে বলেও জানান তাঁরা।
এদিকে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাজার, চায়ের দোকান ও স্থানীয় আড্ডায় আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আলোচনা চলছে। সেখানে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী টিটু মিয়াকে নিয়েও কথা বলছেন অনেকে। তবে নির্বাচনে তাঁর প্রকৃত জনসমর্থন কতটা, তা ভোটের ফলাফলের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।
স্থানীয় কয়েকজন ভোটার জানান, এলাকার উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার অগ্রগতি এবং জনসাধারণের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন—এমন নেতৃত্ব প্রত্যাশা করেন তাঁরা। তাঁদের মতে, নির্বাচনে প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি ও অতীত কর্মকাণ্ড বিবেচনায় নিয়ে ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. টিটু মিয়া বলেন, মানুষের পাশে থাকা এবং এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখার লক্ষ্যেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে উদাখালী ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেন, “আমার জীবনের বাকি সময়টুকু উদাখালী ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চাই। তাঁদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।”
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে উদাখালী ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও ভোটারদের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনের মাঠে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি, জনসম্পৃক্ততা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা ভোটারদের সিদ্ধান্তে কতটা প্রভাব ফেলে।