বাবুল রহমান রবিন, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ৫ নম্বর কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খন্দকারকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কারণে তিনি স্থানীয়দের নজরে এসেছেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
চেয়ারম্যানের কার্যালয় ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মাদ্রাসার সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনি ভূমিকা রাখছেন। পাশাপাশি বয়স্ক ও বিধবা ভাতাসহ সরকারি বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা সঠিকভাবে বিতরণ এবং স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম্য সালিশে ভূমিকা রাখার কথাও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকার চেষ্টা করেন। তাদের ভাষ্য, রাজনৈতিক বা সামাজিক মতাদর্শের পার্থক্য না করে তিনি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তাঁর কাছে গেলে সহযোগিতা পাওয়া যায়।
তবে স্থানীয়দের এসব বক্তব্য তাদের নিজস্ব অভিমত। চেয়ারম্যানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনপ্রিয়তার দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খন্দকার বলেন, “ভোট আসবে, ভোট যাবে। কারও প্রতি আমাদের কোনো প্রতিহিংসা থাকবে না। জনগণ যদি পুনরায় দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ আবারও নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়নবাসীর সেবা করব।”
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
লিয়াকত আলী খন্দকার বলেন, সততা ও কর্মদক্ষতার সঙ্গে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিয়ে কচুয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও উন্নত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য।