1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. abedali4249@gmail.com : dailydeshkantha :
  3. siponali175@gmail.com : Md Sipon Ali : Md Sipon Ali
  4. zaharuliofficial@gmail.com : Zaharul Islam : Zaharul Islam
আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস - dailydeshkantha
২২শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| বৃহস্পতিবার| সন্ধ্যা ৬:৩৮|
শিরোনামঃ
‘ডিফেন্সিভ মানসিকতা নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফল হওয়া কঠিন’: তাওহীদ হৃদয় সৌদি আরব থেকে কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারকে সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দেশের বাজারে কমল সোনা ও রুপার দাম, আজ থেকেই কার্যকর নতুন মূল্য আসামে বাঙালি মুসলিমদের উচ্ছেদ নিয়ে নাহিদ ইসলামের উদ্বেগ, ভারতের সংখ্যালঘু সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন ফুলছড়ির উদাখালী ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী টিটু মিয়াকে ঘিরে আলোচনা, বাড়ছে জনসম্পৃক্ততা জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের ১০৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা আজও অনেকটাই ফাঁকা ঢাকা, সড়কে নেই চিরচেনা যানজট কক্সবাজারে সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ নওগাঁর আত্রাইয়ে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লালপুরে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬,
  • 353 Time View

সম্পাদকীয়: আজ পবিত্র ১৭ই রমজান, ইসলামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন—ঐতিহাসিক বদর দিবস। এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী মক্কার কুরাইশদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধে বিজয় অর্জন করে।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, ২য় হিজরির ১৭ রমজান (১৩ মার্চ ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ) মদিনা থেকে প্রায় ৮০ মাইল দক্ষিণে বদর নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এটি ছিল মুসলমানদের সাথে মক্কার কুরাইশদের প্রথম বড় যুদ্ধ।

এই যুদ্ধে মহানবী (সা.)-এর নেতৃত্বে মাত্র ৩১৩ জন মুসলিম সাহাবি অংশগ্রহণ করেন। অপরদিকে কুরাইশ বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজার। সংখ্যায় কম হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহর রহমত ও সাহাবিদের দৃঢ় ঈমানের ফলে মুসলমানরা ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেন।

বদরের যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর ১৪ জন সাহাবি শহীদ হন এবং কুরাইশদের অনেক প্রধান নেতা নিহত হয়। এই বিজয়ের মাধ্যমে ইসলাম ও মুসলমানদের শক্তি ও মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পায় এবং আরব ভূখণ্ডে ইসলামের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়।

ইসলামের ইতিহাসে বদরের যুদ্ধকে “ইয়াওমুল ফুরকান” বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্ণয়ের দিন বলা হয়। এই দিনটি মুসলমানদের জন্য ত্যাগ, ঈমান, ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                                    Themes Create by BDITWork