1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. abedali4249@gmail.com : dailydeshkantha :
  3. siponali175@gmail.com : Md Sipon Ali : Md Sipon Ali
  4. zaharuliofficial@gmail.com : Zaharul Islam : Zaharul Islam
নতুন সরকারের কাছে বড় প্রত্যাশা শাকিব খানের - dailydeshkantha
১১ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৬শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| রবিবার| রাত ২:৫৭|
শিরোনামঃ
বিমানে পাশাপাশি শাকিব-মিথিলা, নিউইয়র্কে যাওয়ার কারণ কী? অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের পর জ্যোতির বার্তা, ‘মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে’ পানামায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, বড় দুর্যোগ ঘোষণা প্রেসিডেন্টের শিশুদের সহায়তায় অনুদান সংগ্রহে ইউনিসেফের সঙ্গে বিকাশের চুক্তি তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের শত বছরের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক: শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ, জড়িতদের খুঁজছে পুলিশ সিজেপির সমাবেশ ঘিরে নয়াদিল্লিতে ২৫ হাজার পুলিশ, ৩০০ ক্যামেরা মোতায়েন ইসরায়েলে নির্বাচনের আবহে ৭ অক্টোবর হামলার তৃতীয় বার্ষিকী মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, দুশ্চিন্তায় রাজবাড়ীর জেলেরা জামদানি শাড়ি আর ফুলের সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন পূর্ণিমা

নতুন সরকারের কাছে বড় প্রত্যাশা শাকিব খানের

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬,
  • 200 Time View

অনলাইন নিউজ: খান। টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, সংগীত ও নাট্যাঙ্গনের মানুষের আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরে তিনি বলেছেন, প্রয়োজন স্বচ্ছ নীতি, স্বাধীন কর্মপরিবেশ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন। প্রেক্ষাগৃহ বৃদ্ধি, সরকারি অনুদানে স্বচ্ছতা, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মানদণ্ড ও শিল্পীদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ততার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও তিনি মত দিয়েছেন।

প্রথমত, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। বিচারপ্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা, রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি বারবার সামনে আসে এসব প্রশ্ন। পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হোক। মূল্যায়নের নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ এবং বাইরের হস্তক্ষেপ রোধে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি।

দ্বিতীয়ত, সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতের অভিযোগ দূর করতে স্বচ্ছ কমিটি, অনলাইন স্কোরিং পদ্ধতি এবং পাবলিক রিপোর্ট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে প্রকৃত মেধাবীরা উৎসাহ পাবেন।

তৃতীয়ত, দেশে প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। মাঝখানে কয়েকবার প্রেক্ষাগৃহ বাড়ানোর উদ্যোগের কথা শোনা গেলেও পরে আর কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। তাই বলব, সারা দেশে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। মানুষ পরিবার নিয়ে আবার ছবি দেখছে, তাদের শুধু সুন্দর পরিবেশ দিতে হবে। সারা দেশে যেসব বন্ধ ও জরাজীর্ণ প্রেক্ষাগৃহ রয়েছে, সেগুলোর সংস্কারে স্বল্প সুদে ঋণ, করছাড় ও পুনর্গঠন তহবিল গঠন করা যেতে পারে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স স্থাপনেও উৎসাহ দেওয়া যেতে পারে। যেসব জেলায় প্রেক্ষাগৃহ নেই, সেখানে কম আসনসংখ্যার ডিজিটাল মিনি প্রেক্ষাগৃহ বানানো যেতে পারে। এতে নির্মাণ ব্যয় কমবে, স্থানীয় উদ্যোক্তারাও যুক্ত হতে পারবেন। নতুন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণে ভ্যাট ও ট্যাক্সছাড়, জমি লিজে বিশেষ সুবিধা, আমদানি করা প্রজেকশন ও সাউন্ড যন্ত্রে শুল্ক কমানো—এসব প্রণোদনা দিলে বিনিয়োগ বাড়বে। ডিজিটাল প্রজেকশন, ডলবি সাউন্ড, অনলাইন টিকেটিং—এসব বাধ্যতামূলক বা প্রণোদিত করলে দর্শকের অভিজ্ঞতা উন্নত হবে এবং হলমুখী দর্শক বাড়বে। দেশীয় চলচ্চিত্রের নির্দিষ্ট প্রদর্শন কোটা, উৎসবভিত্তিক বিশেষ প্রদর্শনী এবং পরিবারবান্ধব কনটেন্টে সহায়তা এসব দর্শক টানতে সাহায্য করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                                    Themes Create by BDITWork